মিয়ামিতে এই ম্যাচে স্কটল্যান্ডের দরকার ছিল অন্তত একটি পয়েন্ট। সেটা পেলে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতো। ম্যাচের মাত্র সাত মিনিটে স্কট ম্যাককেনার ভুল থেকে সুযোগ নিয়ে প্রথম গোল করেন ভিনিসিয়ুস।
এরপর ২২ মিনিটে জ্যাক হেন্ড্রির আরেকটি ভুলে সুযোগ পান তিনি। হেন্ড্রিকে কাটিয়ে পরিষ্কার শট নেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা। কিন্তু ভিএআর পর্যালোচনার পর সেই গোল বাতিল করা হয়। কারণ হিসেবে বলা হয়, বল পাওয়ার আগে ভিনিসিয়ুস হেন্ড্রির পায়ে লাথি মেরেছিলেন।
সিদ্ধান্তটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে সাবেক স্কটিশ ফুটবলার ও ধারাভাষ্যকার জেমস ম্যাকফ্যাডেন জানালেন, এই গোলের আগে ফাউল করেছিলেন ভিনি। তিনি বলেছেন, ‘আমি মনে করি এটা ফাউল। সামান্য স্পর্শ হোক বা না হোক, এটা ফাউল।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘বল লাথি মারার সময় সে ধরা পড়েছে, এটাই তাকে বল কিক করতে বাধা দিয়েছে। এটা বাধা দেওয়া। আমার কাছে এটা ফাউল।’
গোল বাতিল হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন ভিনিসিয়ুস। তবে সেই রাগ যেন তাকে আরও তেজী করে তুলল। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই হেড করে বৈধ দ্বিতীয় গোল করলেন তিনি। এতে স্কটল্যান্ডের অবস্থা আরও কঠিন হয়ে পড়ল।
উল্লেখ্য, এবারের বিশ্বকাপের নতুন ফরম্যাটে ১২টি গ্রুপের তৃতীয় স্থান অধিকারীদের মধ্যে আটটি দল রাউন্ড অব ৩২-এ যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এই নিয়মের ওপর ভরসা রেখেই ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখছিল স্কটল্যান্ড।

Leave a Reply